Apan Desh | আপন দেশ

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর

পানির নামে জামালপুরে ৮ কোটির লুটপাট: এখন দায় নেবে কে?

পানির নামে জামালপুরে ৮ কোটির লুটপাট: এখন দায় নেবে কে?

জামালপুর পৌরসভায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। লক্ষ্য ছিল পৌরবাসীর ঘরে ঘরে নিরাপদ পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা। কিন্তু প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ৫ বছর পরও এক ফোঁটা পানিও পৌঁছায়নি মানুষের কাছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,খেলার মাঠ, মসজিদ, স্কুলসহ ঈদগাহ বিলুপ্ত করে নির্মিত এ প্রকল্পে হয়েছে চরম দুর্নীতি ও লুটপাট। তৈরি করা হয়েছে কেবল একটি ওভারহেড পানির ট্যাংক, যা আজও অচল। এর সঙ্গে নেই কোনো পানির সংযো ব্যবস্থা। ফলে এটি ‘দৃশ্যমান কাঠামো’, বাস্তব সুবিধা শূন্য। ট্যাংকই এখন মরণফাঁদ। পৌরবাসীর বুকে শতটনের একটি ট্যাংকি চাপিয়ে দিয়ে কেটে পড়েছে গোপালগঞ্জের মনির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কোং নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টরা। তাতে সহযোগিতা করেছেন জামালপুর জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ ওরফে সুলতান খাঁ। 

০২:০১ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ রোববার

জামালপুর জনস্বাস্থ্যে দুর্নীতির কিংপিন সুলতান, আমিনুল, হোয়াইট বাবু

জামালপুর জনস্বাস্থ্যে দুর্নীতির কিংপিন সুলতান, আমিনুল, হোয়াইট বাবু

সুলতান মাহমুদ ওরফে সুলতান খাঁ। প্রকৌশলখাতে পরিচিত নাম। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে কর্মরত তিনি। এ খাতে দুর্দান্ত প্রতাবশালী তিনি। প্রধান প্রকৌশলীও তার কাছে অবদমিত থাকতেন। সিদ্ধান্ত বদলে বাধ্য হতেন। সুলতান বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ নেতা। বিদ্যাপীঠে ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা। গণঅভূত্থানের স্বৈরাচারের দোসররা গা ঢাকা দিলেও ক্যারিশমা দিয়ে তিনি পরিবেশ এনেছেন অনুকূলে। দুর্নীতির দায়ে ওএসডি করা হলেও দুদক তার দিকে তাকানোর সাহসও রাখেনি। তিনি নাকি দুদকের সাবেক কমিশনার, বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ও স্বজন, আদর্শিক কর্মী। 

১০:০৫ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ সোমবার

প্রকৌশলী সুলতানের জালিয়াতি-লোপাটের ভয়ঙ্কর চিত্র, ফাঁসছেন দুই সহযোগি

প্রকৌশলী সুলতানের জালিয়াতি-লোপাটের ভয়ঙ্কর চিত্র, ফাঁসছেন দুই সহযোগি

দুর্নীতি, লুটপাট পাঁচার ছিল শেখ হাসিনার হাল জামানার বিউটি। গেল দেড় দশকের অনিয়ম, দুর্নীতি, লোপাট আর পাচারের তথ্যখনি থেকে চোখ ঘুরাতে পারছে না দুর্নীতি দমন কমিশন। সরকারি মাল নিজের তহবিলে ঢাল-নীতিতে চলেছে পতিতালয় থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সবাই। ক’দিন আগেও আওয়ামী লীগের একনেতার সন্ধান মিললো দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে। অপকর্ম থেকে পিছিয়ে ছিল না প্রকৌশলীদের অনেকেই। ভয়ঙ্কর চিত্র মিলেছে জামালপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌলীর নির্বাহী সুলতান মাহমুদের। সুযোগ বুঝে পুরো বরাদ্দই গিলেছেন।

০৮:৫০ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২৫ মঙ্গলবার

জামালপুর জনস্বাস্থ্যের কোটিপতি অফিস সহকারী হোয়াইট বাবু ছায়া নির্বাহী!

জামালপুর জনস্বাস্থ্যের কোটিপতি অফিস সহকারী হোয়াইট বাবু ছায়া নির্বাহী!

শেখ হাসিনার জামানায় গোপালগঞ্জের পরই বেশি বরাদ্দ জামালপুরে। ওই বরাদ্দের বেশিরভাগ হলো জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে। উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আর বেশিরভাগ লোপাট হয়েছে এ প্রতিষ্ঠানে। অনেক ঠিকাদার শতশত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। আবার অনেকে সহায়সম্বল হারিয়েছেন এখানে। সরকারি বিধিভঙ্গই এখানকার নিয়ম। এখানেই হরণ করা হয়েছে অনেক নারীর সম্ভ্রম। আর ছাপোষা অফিস সহকারী থেকে অর্ধশত কোটিপতি বনে গেছেন এ অফিসে অপকর্ম করেই। অনিয়ম-দুর্নীতির সজ্ঞায় যা যা পড়ে তার প্রায় সবকিছুই ঘটেছে এখানকার প্রতিষ্ঠানটিতে। তাতে রাজনৈতিক শেল্টার দিতেন পলাতক শাসক দলীয় মন্ত্রী, এমপি ও দলীয় ক্যাডাররা। 

০৮:১৮ পিএম, ২১ মার্চ ২০২৫ শুক্রবার

পরীক্ষা ছাড়াই ‘বাবার কোটায়’ বিসিএস ক্যাডার মিকি!

পরীক্ষা ছাড়াই ‘বাবার কোটায়’ বিসিএস ক্যাডার মিকি!

সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতদের স্বপ্ন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে (বিসিএস) । সে স্বপ্নের বিসিএস আলোচনাতেই আসে ‘আবেদ ক্যাডার’ ব্যঙ্গাত্বক শব্দ। গাড়ী চালক আবেদ আলীর দেয়া প্রশ্নপত্র পেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হতো। কিন্তু এর চেয়ে ভয়ঙ্কর ক্যাডারের খোঁজ মিলেছে। ‘উত্তরাধিকার ক্যাডার’। বাবা বিসিএস ক্যাডার তাই পরীক্ষা না দিয়েই হাতের নাগারে বিসিএস ক্যাডার সনদ। ওই ক্যাডারধারীর নাম নাবিলা তাবাসসুম মিকি! মিকির বাবা ১৯৮৪’র প্রশাসন ক্যাডার। আলোচিত মিকি নাম এখন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের পিয়ন-পেয়াদারও মুখেমুখে। তিনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী। 

১১:০১ পিএম, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ বুধবার

প্রধান নয়, অতিরিক্ত প্রধানে আস্থা মন্ত্রণালয়ের!

প্রধান নয়, অতিরিক্ত প্রধানে আস্থা মন্ত্রণালয়ের!

ঘটনা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের। প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই সমুদয় টাকা উত্তোলনসহ ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের খোঁজে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। বড় দুর্নীতি তাই অধিদফতরের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. সরোয়ার হোসেনের নেতেৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। আবার একই ঘটনায়, একই অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মীর আব্দুস সাহিদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের অন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয় মন্ত্রণালয। চাউর অনিয়মের ঘটনা তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে। প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ে অতিরিক্ত প্রকৌশলীর উপরই আস্থা বেশি মন্ত্রণালয়ের।

০২:২০ এএম, ২১ জুন ২০২৩ বুধবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement