Apan Desh | আপন দেশ

পাবনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ

পাবনা প্রতিনিধি, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২০:৫১, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পাবনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ

ফাইল ছবি, আপন দেশ

পাবনায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আলোর মুখ দেখার পথে আরও একধাপ এগিয়েছে। পাবনা-৫ আসনের এমপি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রচেষ্টায় জেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে পাবনা জেলার আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলার এমপিদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাবনা-৫ আসনের বর্তমান এমপি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস নির্বাচনে পাবনায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে নিয়মিত যোগযোগ ও দাফতরিক চিঠি চালাচালি অব্যাহত রাখেন। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখন প্রাতিষ্ঠানিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিল।

পাবনা একটি কৃষিপ্রধান জেলা। জেলাটিতে পেঁয়াজ, চাল, গম, সবজি, ডাল ও দুগ্ধজাত পণ্যের ব্যাপক উৎপাদন হয়। ফলে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার এবং দক্ষ কৃষিবিদ তৈরিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। 

আরও পড়ুন<<>>চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালো উৎসুক জনতা

পাবনা-৫ আসনের এমপি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, পাবনার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি আধুনিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখে আসছে। নির্বাচনের সময় আমি সাধারণ মানুষকে কথা দিয়েছিলাম। সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি। মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনা পাবনাবাসীর স্বপ্নের প্রথম বড় জয়। এটি দ্রুত বাস্তবায়নে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে দোতলা কৃষি ব্যবস্থাপনার আবিষ্কারক কৃষিবিদ জাফর সাদেক বলেন, ১৯৮০ সাল থেকে পাবনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে চেষ্টা করা হচ্ছে। পরে এটির অগ্রগতি দেখা যায়নি। সাম্প্রতিক অগ্রগতির খবরটি পাবনার মতো কৃষি ভিত্তিক জেলার জন্য সুখবর।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি হলে কেবল শিক্ষা নয়, সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ অঞ্চলে জমি ও অবকাঠামোগত সুযোগ তৈরি করা সহজ হবে। ইউজিসির সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন দ্রুত শেষ করে জমি অধিগ্রহণ ও আইন প্রণয়নের কাজ ত্বরান্বিত করা প্রয়োজন।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়