Apan Desh | আপন দেশ

সনদ জালিয়াতি

পদোন্নতি গ্রহণে নজিরবিহীন জালিয়াতি ইবি শিক্ষকের

পদোন্নতি গ্রহণে নজিরবিহীন জালিয়াতি ইবি শিক্ষকের

সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি গ্রহণে নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনা ঘটিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক। সহযোগী অধ্যাপক হতে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি/ আপগ্রেডিংয়ের জন্য করা আবেদনে এ জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। আবেদনে বিভিন্ন অসামঞ্জস্যতা দেখা যাওয়ায় ফাইলটি ভাইস চ্যান্সেলর দফতর থেকে বিভাগে ফেরত পাঠিয়ে প্ল্যানিং কমিটির সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন ইবি ভিসি। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটির সভায় তার আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ফাইল প্রশাসনে পাঠানোর পর সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তিনি ফাইলে নতুন নথি যুক্ত করেছেন। পূর্বের বিভাগীয় সভাপতি স্বাক্ষরিত একটি নথি গায়েব করে দিয়েছেন। এছাড়া তার গবেষণা প্রবন্ধ ও রিভিউকৃত পুস্তক নিয়েও রয়েছে বিতর্ক।

০৬:৪৮ পিএম, ২২ জুলাই ২০২৬ বুধবার

বড় ভাই নাছিরের চাকরি করলেন ছোট ভাই সৈয়দ

বড় ভাই নাছিরের চাকরি করলেন ছোট ভাই সৈয়দ

‘পুলিশ’ পরিচয়ে বড় ভাইয়ের চাকরি করলেন ছোট ভাই। বেতন-ভাতা নিয়েছেন। প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। রেশন খেয়েছেন। অবসরজনিত সকল আর্থিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে স্বেচ্ছায় অবসরেও চলে গেছেন। অথচ দেশের ‘দক্ষ’ পুলিশ প্রশাসন তার টিকিটিও ছুঁতে পারেনি। ঘটনা রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের। দুই ভাই-মো. নাছির আহমদ ও মো. সৈয়দ আহমদ। তাদের বাবা নূর এলাহী ভূইয়াও ছিলেন পুলিশ। জালিয়াতির মাধ্যমে দীর্ঘদিন চাকরি করার বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনের আওতায় তদন্তযোগ্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

০১:২১ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

ওয়াকিদের স্মার্ট ক্যারিশমায় শীর্ষ খেলাপিরাও পেত সিআইবি ছাড়পত্র 

ওয়াকিদের স্মার্ট ক্যারিশমায় শীর্ষ খেলাপিরাও পেত সিআইবি ছাড়পত্র 

ব্যাংকের খাতের অনিয়ম, লোপাটের ভয়ঙ্কর চিত্র ফুটে উঠছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ একেকটি ঘটনার ভয়াবহতা আঁতকে উঠার মতো। আর্থিক খাতে অনিয়মের লাগাম ধরার কথা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের, কিন্তু ঘটেছে উল্টো। ভুয়া ছাড়পত্রের কারখানা হয়ে উঠেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খেলাপি গ্রাহককে ‘নিয়মিত’ দেখানো হতো এখান থেকেই। এ ছাড়পত্র দেখিয়েই খেলাপি ধরার জাল ভেদ করে ‘ক্লিনম্যান’ চিহ্নিত হতো দেশের হাজার হাজারো ঋণখেলাপি ও জনপ্রতিনিধি। এছাড়াও ঋণ থাকার পরও ভুয়া কাগজে ঋণের নামে লাখ কোটি টাকা হরিলুট করেছে বেক্সিমকো গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, তাইপে গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্যক্তি।

১২:২৪ এএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ বৃহস্পতিবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement