Apan Desh | আপন দেশ

‘ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুত নীতিমালা আসছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৪:৪০, ২৫ আগস্ট ২০২৬

‘ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুত নীতিমালা আসছে’

ছবি : আপন দেশ

ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোথায় এবং কোন কোন সড়কে এসব রিকশা চলতে পারবে, যানবাহনের কারিগরি মান ও নিরাপত্তা এবং চালকদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। 

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ের শুরুতে গণতান্ত্রিক সরকারের ছয় মাসের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়ে প্রকাশিত একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকদের অনেকের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নেই। পাশাপাশি এসব যানবাহনের কারিগরি মান, নির্মাণ কাঠামো ও নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার দ্রুত একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বড় ও প্রধান সড়কেও এসব যান চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। এতে মানুষের যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা তৈরি হলেও একই সঙ্গে যানজট ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, নীতিমালায় কোন এলাকায় এবং কোন ধরনের সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে, সেসব বিষয় স্পষ্ট করা হবে। একই সঙ্গে যানবাহনের মান, কারিগরি সক্ষমতা ও চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।

মৎস্য খাতের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, মিঠাপানির মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। কৃষির বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, মৎস্য খাতও তার অন্যতম।

আরও পড়ুন: সন্ধ্যার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অন্যতম প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর কথাও তুলে ধরেন তিনি। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আপন দেশ/এনএম

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়