ফাইল ছবি
একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৬২১ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বেশি বিক্রয়ের তথ্য গোপন করেছে। এতে প্রায় ৩৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকার মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ফাঁকির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পূর্ব) কার্যালয় এ তথ্য উদঘাটন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ভ্যাট কর্তৃপক্ষ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কমিশনারের নির্দেশে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের জে আই ইমপেক্স লিমিটেডে অভিযান চালানো হয়। এ অভিযানে যুগ্ম কমিশনার নেতৃত্ব দেন। অভিযান চালায় সদর দফতর ও নরসিংদী ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি প্রিভেন্টিভ দল। এ অভিযান হয় গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে।
অভিযানকালে মূসক ১২.৩-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বাণিজ্যিক নথি, ক্লিপ ফাইল, প্লাস্টিক ফোল্ডার, সিপিইউ, টালি খাতা, রেজিস্টার, ট্রাক ভাড়া-সংক্রান্ত নথি, মেমো ফাইল, ট্রাকচালকদের খরচের বিবরণী এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর করা কম্পিউটার প্রিন্টেড বিক্রয় দলিল জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন <<>> রোববার রাজধানীর যেসব দোকান-মার্কেট বন্ধ
পরবর্তীতে জব্দ করা নথিপত্র পর্যালোচনা করে ২০২৩ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মাসভিত্তিক পণ্য সরবরাহের ৭২টি ফোল্ডার/নথি পাওয়া যায়। এসব নথিতে কাঁচা চালান ও বিক্রয়সংক্রান্ত তথ্য ছিল।
ভ্যাট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাইয়ে এসব নথির ভিত্তিতে মোট ৬২১ কোটি ৭৪ লাখ ৩৭ হাজার ১৩৪ টাকা বিক্রয়ের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে প্রাথমিকভাবে ৩৫ কোটি ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৮ টাকা মূসক ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মূসক ফাঁকির মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পূর্ব) কার্যালয়।
আপন দেশ/কেএম/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































